হঠাৎ
---বিধান চন্দ্র হালদার
যে ছোট্ট মেয়েটি বারোটি বছর
সাইকেল চালাতে পারতো
স্কিপিন করতে পারতো
ব্যায়াম করতে পারতো
খেলাধূলাতে বেশ পটু
নিয়মিত স্কুলে যেত
সারা বাড়ি এ ঘর ও ঘর নাচতো
গানের কণ্ঠ ভেসে আসতো কানে ।
সেই ছোট্ট মেয়েটিকে হঠাৎ বলা হলো
তুমি এখন এগুলো কিছুই করতে পারবে না ।
ঠিক যেন বিনা মেঘে বজ্রপাত!
পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেল!
দশদিক গাঢ় গহীন অন্ধকার!
সেই ছোট্ট পুতুল সোনাকে
কি বলে সান্ত্বনা দেবো?
কি বলে তাকে মনের শক্তি জোগাবো?
কি বলে তাকে জীবন যুদ্ধে
এগিয়ে যাওয়ার কথা বলবো ?
কি বলে তাকে নতুন সূর্য ধরার কৌশল শেখাবো ?
কি বলে তাকে জ্যোৎস্না মাখানো রূপকথার গল্প শোনাবো ?
তার তো বেশ কিছুদিন হাঁটা বন্ধ!
বসে বসে দরজা জানলা গোনা ছাড়া
উপায় নেই !
হঠাৎ মনে পড়লো- -
কোনো এক সাঁতারুর কথা
যার দুটি পা ছিল না ।
হঠাৎ মনে পড়লো --
কোনো এক নৃত্য শিল্পীর কথা
যার একটি পা ছিল না ।
আরো কতো কিছু মুঠো মুঠো রোদ্দুর ধরার কথা মনে পড়ে গেল
কিন্তু চোখের জলে খাতা ভিজে গেল ।
হঠাৎ চেয়ে দেখি--
সেই ছোট্ট সোনাটির চোখে জল
দুই হাত দিয়ে চোখের জল মুছিয়ে বললাম --
"আরো অনেক পথ হাঁটতে হবে সোনা "
সেই ছোটো মেয়েটি কান্নাভেজা কণ্ঠে আমাকে প্রশ্ন করলো --
"পাপাই ,আমি হাঁটতে পারবো তো? "
আমি বললাম, "হাঁটবি কিরে সোনা, ছুটবি
"
সময়ের দর্পণ কবি
বিধান চন্দ্র হালদার
কলিঙ্গ হসপিটাল
ভুবনেশ্বর
18/10/2019
9051711080
---বিধান চন্দ্র হালদার
যে ছোট্ট মেয়েটি বারোটি বছর
সাইকেল চালাতে পারতো
স্কিপিন করতে পারতো
ব্যায়াম করতে পারতো
খেলাধূলাতে বেশ পটু
নিয়মিত স্কুলে যেত
সারা বাড়ি এ ঘর ও ঘর নাচতো
গানের কণ্ঠ ভেসে আসতো কানে ।
সেই ছোট্ট মেয়েটিকে হঠাৎ বলা হলো
তুমি এখন এগুলো কিছুই করতে পারবে না ।
ঠিক যেন বিনা মেঘে বজ্রপাত!
পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেল!
দশদিক গাঢ় গহীন অন্ধকার!
সেই ছোট্ট পুতুল সোনাকে
কি বলে সান্ত্বনা দেবো?
কি বলে তাকে মনের শক্তি জোগাবো?
কি বলে তাকে জীবন যুদ্ধে
এগিয়ে যাওয়ার কথা বলবো ?
কি বলে তাকে নতুন সূর্য ধরার কৌশল শেখাবো ?
কি বলে তাকে জ্যোৎস্না মাখানো রূপকথার গল্প শোনাবো ?
তার তো বেশ কিছুদিন হাঁটা বন্ধ!
বসে বসে দরজা জানলা গোনা ছাড়া
উপায় নেই !
হঠাৎ মনে পড়লো- -
কোনো এক সাঁতারুর কথা
যার দুটি পা ছিল না ।
হঠাৎ মনে পড়লো --
কোনো এক নৃত্য শিল্পীর কথা
যার একটি পা ছিল না ।
আরো কতো কিছু মুঠো মুঠো রোদ্দুর ধরার কথা মনে পড়ে গেল
কিন্তু চোখের জলে খাতা ভিজে গেল ।
হঠাৎ চেয়ে দেখি--
সেই ছোট্ট সোনাটির চোখে জল
দুই হাত দিয়ে চোখের জল মুছিয়ে বললাম --
"আরো অনেক পথ হাঁটতে হবে সোনা "
সেই ছোটো মেয়েটি কান্নাভেজা কণ্ঠে আমাকে প্রশ্ন করলো --
"পাপাই ,আমি হাঁটতে পারবো তো? "
আমি বললাম, "হাঁটবি কিরে সোনা, ছুটবি
"
সময়ের দর্পণ কবি
বিধান চন্দ্র হালদার
কলিঙ্গ হসপিটাল
ভুবনেশ্বর
18/10/2019
9051711080
